Bengali Husband and Wife Jokes | স্বামী আর স্ত্রী জোকস

 

We are Sharing some Bengali husband and Wife Jokes. if you search on the internet you are in the right place.দুষ্টু মিষ্টি স্বামী স্ত্রী সম্পর্ক নিয়ে মজাদার কিছু জোকস শেয়ার করলাম.আপনার যদি ভালো লাগলে শেয়ার করুন.

Here Naughty sweet Bengali Husband and Wife Jokes

 

স্ত্রী : তোমাকে একটা বলি…….??
স্বামী: হুম বলো…..
স্ত্রী:মারবে না তো……??
স্বামী :আরে জানু মারব কেন…..??
স্ত্রী :আমি না মা হতে চলেছি……
স্বামী : আরে বলো কি এটা তো অনেক খুশির খবর…… এর জন্য তোমাকে মারতে যাব কেন……??:
স্ত্রী : না মানে কলেজে থাকতে বাবাকে এই কথা বলাতে বাবা অনেক মেরেছিল……..

আরও পড়ুন: – Bengali Jokes

একজন স্ত্রী তার স্বামীকে তার (স্ত্রী) সম্পর্কে বর্ননা করতে বলেছে………… স্বামী বর্ণনা করছে, “তুমি হচ্ছো

A,B,C,D,E,F,G,H,I,J,K”

স্ত্রী জানতে চাইলো, “এর মানে কি?”

স্বামীঃ Adorable, Beautiful, Cute, Delightful, Elegant,Foxy, Gorgeous, Hot”

স্ত্রীঃ ওহ, কী যে সুন্দর! মন ভরে গেলো। ওগো,

বাকী তিনটা I,J,K-তে কী হয় গো?

স্বামীঃ I’m Just Kidding!!!

স্ত্রী :- হ্যাগো, শুনচ্ছ ….আমাদের মেয়ে মনে হয় কোন ছোরার পাল্লায় পড়েছে! !!!

স্বামী :- তুমি কি করে বুঝলে? ???

স্ত্রী :- মেয়ে যখন বাড়ি থেকে বের হয় এক গাদা লিপস্টিক লাগিয়ে বের হয় আর যখন বাড়ি ফিরে একটুও লেড়ে থাকে না …..!!???

রাত্রে স্বামী স্ত্রী দুজনে শুয়ে ছিল….রাত দুটোর সময় হঠাৎ স্ত্রীর ফোনে ম্যাসেজ টোন বেজে উঠলো…..

চমকে উঠে স্বামী স্ত্রীর ফোনে BEAUTIFUL লেখা দেখে স্ত্রীকে উঠিয়ে বললোঃ তোমার ফোনে ম্যাসেজ এসেছে BEAUTIFUL.তোমার ফোনে এমন ম্যাসেজ,কেন…??

স্ত্রী ধড়পড় করে উঠে বললোঃ ‘এই ৪৫ বছর বয়সে কে আর BEAUTIFUL বলবে….!!’ তারপর মোবাইল দেখে চিৎকার করে স্বামীকে বললোঃ এবার থেকে চশমা পরে ফোন হাতে নেবে।ওটা BEAUTIFUL লেখা নয়,

ফোন চার্জে দেওয়া ছিল, তাই BATTERYFULL লেখা দেখাচ্ছে…

স্বামী: পাশের ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে একটু চিনি নিয়ে এসোতো?

স্ত্রী: ওরা আমাদের চিনি দেবেনা।

স্বামী: ওরা তো খুব কঞ্জুস!

স্ত্রী: ওদের কিপ্টেমির কথা আর বোলো না।

স্বামী: তাহলে আর কী করা;

আমাদের আলমারি থেকেই চিনি বের করে চা করে নিয়ে এসো, যাও

স্ত্রী থাপ্পড় দিয়ে স্বামীর গালে বসে থাকা একটা মশা মারলো।

স্বামী:’ রেগে গিয়ে, কি ব্যাপার থাপ্পড় মারলে কেনো? .

স্ত্রী:’আমি বেচে থাকতে অন্য কেউ তোমার রক্ত খাবে। এইটা আমার পছন্দ না।

স্বামী স্ত্রী ঝগডা শেষেঃ

স্বামীঃ কোথায় যাও তুমি?

স্ত্রীঃ সুইসাইড করতে।

স্বামীঃ এত মেকাপ কেন?

স্ত্রীঃ ওম্মা, কাল সকালে পত্রিকায় আমার ছবি ছাপা হবেনা??

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা হচ্ছে—

স্ত্রী: শোনো, তোমার বন্ধু যে মেয়েটিকে বিয়ে করতে যাচ্ছে ওই মেয়ে কিন্তু অতোটা ভালো নয়।

স্বামী: এতে আমার সমস্যাটা কী?

স্ত্রী: আরে, জেনেশুনে তোমার বন্ধু খারাপ মেয়েকে বিয়ে করবে!তুমি তাকে নিষেধ করছো না কেন?

স্বামী: আমি কেন তাকে নিষেধ করবো! আমি যখন বিয়েকরি তখন তো সে আমাকে নিষেধ করে নি।।।

স্ত্রী : কী করছ?

স্বামী : মাছি মারছি।

স্ত্রী : কটি মারলে?

স্বামী : পাঁচটি। তিনটি পুরুষ মাছি আর দুটি মেয়ে মাছি।

স্ত্রী : কী করে বুঝলে?

স্বামী : তিনটি মাছি বসে ছিল মদের বোতলের ওপর। আর দুটি টেলিফোনের ওপর!

স্বামী স্ত্রীর ঝগড়া হচ্ছে…হটাত করে স্ত্রী তার জামাই কে চর মারল…

স্বামী : এই তোমি কি আমাকে seriously চর মারলা…??

স্ত্রী : হা..…।

স্বামী : তাহলে তো বেচেই গেলা…তুমিতো জানোই আমি ইআর্কি পছন্দ করি না..…

স্ত্রী :ওগো শুনছো ? আমার ৩ মাস হয়েছে ।

স্বামী :মানে ?

স্ত্রী :আমার ৩ মাস হয়েছে মানে,আমি গর্ভবতী ।

স্বামী :খুব খুশি ।যখন তখন মুচকিমুচকি হাসছে ।

স্ত্রী :ওগো একথা এখন কাউকে বলবে না ।কয়েদিন পর বলবে ।

স্বামী :আচ্ছা ।ঠিক আছে ।

আরও পড়ুন: – Bengali Funny Quotes

তারপরের দিন বিদ্যুত অফিস থেকে ফোন আসল ।

অফিসার :ম্যাডাম আপনার ৩ মাস হয়েছে ।

স্ত্রী :আপনি কি করে জানেন ?

অফিসার :আমাদের এখানকার সবাই জানে ।আমারা সব জানি ।আপনার স্বামীকে বলবেন ।

স্ত্রী :ওগো শুনছো বিদ্যুত অফিসের লোকেরা সব জেনে গেছে ।আমাকে খারাপ কথা বলেছে ।

স্বামী :রেগে বিদ্যুত অফিসে গেল । এবং বলল,কি হয়েছে ?

অফিসার :আপনার ৩ মাসের ফাইন দেন ।

স্বামি :দিবো না ।কি করবেন দেখি ?

অফিসার :তাহলে আপনারটা কেটে দিব ।

স্বামী :তাহলে আমার কি হবে ?

অফিসার :কি আর হবে মোমবাতি ব্যবহার করবেন ।

স্বামী স্ত্রী রাতে বিছানায় শুয়ে আছে…

স্ত্রী : জান এমন কিছু করো যাতে আমি প্রচণ্ড ঘেমে উত্তেজিত হয়ে পরি।

স্বামী : উঠে গিয়ে, ফ্যানের সুইচ অফ করে দিলো…

নব বিবাহিত স্বামী-

স্ত্রী রাতে ট্রেন ভ্রমন করছেন । হঠাৎ পুরো ট্রেনের ইলেক্ট্রিসিটি চলে গেল, বেশ কিছুক্ষণ পর আবার সব আলো জ্বলে উঠলজ্বলে উঠলো…..

স্বামী: আগে যদি জানতাম এতক্ষণ আন্ধকার থাকবে তাহলে এর সদ্ব্যবহার করে অনেকগুলি চুমু খেতে পারতাম।

স্ত্রী: তুমি না……. তাহলে এতক্ষণ কে ছিল……

স্বামী : তুমি কি জানো আমার ক্ষমতা কত?

স্ত্রী : না। একটু দেখাও তো।

স্বামী : ওই যে দেখছ ট্রেনটা আসছে, ওটাকে আমি এখনই থামিয়ে দিতে পারি।

স্ত্রী : দাও তো দেখি।

স্বামী লাল কাপড় উড়িয়ে ট্রেন থামালেন। গার্ড সঙ্গে সঙ্গে ট্রেন থেকে নেমে থামানোর কারণ জানতে চাইলেন।

স্বামী : আমি স্ত্রীকে আমার ক্ষমতা দেখাচ্ছিলাম। এ কথা শুনে গার্ড তার পেছনে সজোরে লাথি দিয়ে চলে গেলেন।

স্ত্রী : গার্ড তোমাকে লাথি দিল, তুমি কিছু বললে না?

স্বামী : আমার ক্ষমতা আমি দেখিয়েছি, সে তার ক্ষমতা দেখাবে না!

স্বামী-স্ত্রী একসাথে ঘুমাচ্ছে—

স্ত্রী গভীর রাতে ঘুমের ঘোরে চিৎকার করে ঊঠলঃ ‘তাড়াতাড়ি পালাও! আমার স্বামী ফিরে এসেছে!!!’

স্বামী ঘুম থেকে ওঠেই তড়িঘড়ি করে জানালা দিয়ে লাফ দিল…..

টেক্সিতে স্বামী স্ত্রী দুজন দুজনকে Kiss করার সময় টেক্সি ড্রাইভার বারবার পিছে ফিরে দেখছে।

কিছু দূর যাওয়ার পর টেক্সি এক্সিডেন্ট করলো .

.টেক্সি ড্রাইভার মাথায় হাত ,বসে আছে আর বলছে . শালা আইজকা বুজতে পারছি সেইদিন টাইটানিক ক্যান ডুবছিলো।

স্বামী: আমার জান কে??

স্ত্রী:আমি

স্বামী: আমার প্রান কে??

স্ত্রী:আমি

স্বামী:আমার মন চুরি কে করেছে??

স্ত্রী: আমি

স্বামী:আমার টাকা চুরি করেছে কে??

স্ত্রী:আমি। ….ইয়ে….মানে………

গভীর রাত, স্বামী-স্ত্রী বেডরুমে।’কারেন্ট নেই’,বাইরে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। মৃদুমন্দ বাতাস ।স্ত্রী পেছন থেকে এসে স্বামীর গলা জড়িয়ে ধরল। গালে গাল ঠেকালো।ফিসফিসিয়ে বলল..

স্ত্রীঃ ওগো…

– বলো।

– তুমি কি বুঝতে পারছ আমি এখন কী চাইছি।

– পারছি।

স্বামী- কী…?

স্ত্রী – একটা IPS…

স্বামী স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করল, বিয়ের আগে তুমি কি কারও সঙ্গে প্রেম করেছ?

স্ত্রী বলল, হ্যাঁ।

স্বামী রেগে বলল

, তাহলে ওই হতচ্ছাড়ার নাম বলো। এক্ষুনি গিয়ে দাঁত ভেঙে দিয়ে আসি।

স্ত্রী বলল, ওগো, তুমি একা কি তাদের সবার সঙ্গে পারবে?

স্বামী- স্ত্রী প্রচন্ড ঝগড়ার পর…………..

স্ত্রী কাপড় চোপড়সহ ব্যাগ গোছানোশুরু করল।

স্বামীঃ ব্যাগ গোছাও কেন?

স্ত্রীঃ আমি আমার মায়ের কাছে চলে যাচ্ছি।

এরপর স্বামীও ব্যাগ গোছানো শুরু করল।

স্ত্রীঃ তুমি আবার কই যাও!!!

স্বামীঃ আমিও আমার মায়ের কাছে চলে যাচ্ছি।

স্ত্রীঃ তাহলে আমাদের এই ৯ টা বাচ্চাকাচ্চা দেখবে কে???

স্বামীঃ তুমি তোমার মায়ের কাছে যাচ্ছ, fine, আমিও আমার মায়ের কাছে যাচ্ছি।

সেই অনুযায়ী বাচ্চাকাচ্চাদের ও তাদের মায়ের কাছেই যাওয়া উচিত …..

স্বামী: আমি মরে গেলে তুমি কী করবে???

স্ত্রী: তুমি মরে গেলে আমি আমার বোনের কাছে থাকবো। আচ্ছা আমি মরে গেলে তুমি কী করবে????

স্বামী: কথা দিলাম তুমি মরে গেলে আমি তোমার বোনের কাছে থাকবো।

ওগো, শুনছ, পৃথিবীটা আসলেই ছোট! এইমাত্র খবর পেলাম, তোমার তৃতীয় স্ত্রী আর আমার দ্বিতীয় স্বামী তাদের হানিমুন উদ্যাপন করছে তোমার দ্বিতীয় স্ত্রীর প্রথম স্বামীর কটেজে!

স্ত্রী: এ্যাই, খেলার চ্যানেল পাল্টাও, আমি এখন রেসিপির অনুষ্ঠান দেখব।

স্বামী: রেসিপির অনুষ্ঠান দেখে কি লাভ, তুমি কোনো দিন ওসব রান্না করবে নাকি?

স্ত্রী: এই বুড়ো বয়সে তুমিই বা ক্রিকেট খেলা দেখ কোন আক্কেলে?

অফিস থেকে বাড়ি ফিরে স্বামী বলল, ‘শুরু করার আগে ভাতটা দাও, খেয়ে নিই।’

স্ত্রী ভাত বেড়ে দিল। ভাত খেয়ে স্বামী ড্রয়িংরুমের সোফায় বসতে বসতে বলল, ‘শুরু করার আগে এক গ্লাস পানি দাও…বড্ড তেষ্টা পেয়েছে।’

স্ত্রী পানি দিয়ে গেল।

পানি খেতে খেতে স্বামী বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়ল। তারপর বলল, ‘শুরু করার আগে এক কাপ চা দাও না আমাকে।’

এইবার স্ত্রী গেল খেপে, ‘অ্যাই, পেয়েছ কী তুমি আমাকে, আমি তোমার চাকর? অফিস থেকে ফিরে একটার পর একটা খালি অর্ডার মেরেই যাচ্ছ…নির্লজ্জ, অসভ্য, ছোটলোক, স্বার্থপর…’

স্বামী কানে তুলা গুঁজতে গুঁজতে বলে, ‘এই যে…শুরু হয়ে গেল।’

স্বামী তাঁর স্ত্রীকে তালাক দিতে আদালতে গেছেন—

স্বামী: আমি আমার স্ত্রীকে আজই তালাক দিতে চাই। আপনি একটু ব্যবস্থা করুন।

আইনজীবী: কেন, সমস্যা কী আপনাদের?

স্বামী: আমার স্ত্রী প্রায় ছয় মাস ধরে আমার সঙ্গে কথা বলে না।

আইনজীবী: আরেকবার ভেবে দেখুন। এমন স্ত্রী পাওয়া কিন্তু ভাগ্যের ব্যাপার।

শীতের ঠান্ডায় গলা বসে গেছে সাংবাদিকটির, শরীরটাও জ্বর-জ্বর। তাই একটু আগে ভাগেই ছুটি নিয়ে বাড়িতে বিশ্রম করতে এলেন। দরজার সামনে দাঁড়িয়ে স্ত্রীর নাম ধরে ডাকতে গিয়ে দেখেন, গলা একেবারে বসে গেছে। তাই অনন্যোপায় হয়ে পাঁচিল টপকে স্ত্রীর ঘরের জানালায় টোকা দিতে দিতে বন্ধ গলায় বললেন, দরজা খোল। প্রায় সঙ্গে-সঙ্গে স্ত্রীর চাপা গলা শোনা গেল, দরজা খোলাই আছে, চলে এস। সাংবাদিক ফের ফিরে গেলেন অফিসে।

ড্রইংরুমে বসে আছে দুই বন্ধু। ভেতর থেকে কান্নার শব্দ আসছে।

: তোমার স্ত্রী কাঁদছে মনে হচ্ছে।

: হ্যাঁ।

: কী হয়েছে?

: জানতে চাই নি।

: সেকি। কেন?

: যতবার জানতে চেয়েছি ততবারই আমাকে দেনায় ডুবতে হয়েছে।

নববিবাহিতা দম্পতির মাঝে কথা হচ্ছে।

স্ত্রী : যদি বলি আমার উপরের পাটির দাঁতগুলো বাঁধানো, তবে কি তুমি রাগ করবে?

স্বামী : মোটেই না, আমি তবে নিশ্চিন্তে আমার পরচুলা আর কাঠের পা-টা খুলে রাখতে পারব।

আমার স্ত্রী যার সঙ্গে পালিয়ে গেছে সে আমার সবচাইতে বড় বন্ধু।

তাই নাকি? লোকটা কি দেখতে খুবই সুন্দর?

কী জানি, জীবনে তাকে দেখি নি তো।

আপনি এত রাতে অন্য লোকের বাড়িতে ঢুকেছিলেন কেন ?

ভেবেছিলাম ওটা আমার বাড়ি।

তাহলে সে বাড়ির মহিলাকে দেখে আবার ছুটে বেরিয়ে এসেছিলেন কেন ?

ভেবেছিলাম সে আমার স্ত্রী …।

স্ত্রী: ডাক্তার সাহেব, আমার স্বামী রাতে ঘুমের মধ্যে কথা বলে! কি চিকিত্‍সা এটার?

ডাক্তার: সে যখন জেগে থাকে তখন তাকে কথা বলার সুযোগ দিন ।

Latest Romantic Husband and Wife Jokes

 

স্বামীঃ ঢুকছে?

স্ত্রীঃ হুম

স্বামীঃ ব্যাথা পাও?

স্ত্রীঃ না…

স্বামীঃ ভাল লাগছে?

স্ত্রীঃ হুম

স্বামীঃ তাহলে চলো,আর না ঘুরে এই জুতাটাই কিনি।

এক নব দম্পতির বিয়ের রাতে জামাই বৌকে বলছে, ‘আমি বাসায় আমার যখন ইচ্ছা, যেকোন সময়, যত রাত করেই হোক আসব, আর তুমি এ নিয়ে কোন সমস্যা করতে পারবে না। আর আমি যখনই বাসায় আসি টেবিলে খাবার রেডী দেখতে চাই। আর আমি ছুটির দিনে, মাছ ধরতে, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে, তাস খেলতে গিয়ে যতক্ষন ইচ্ছা থাকব, রাতে নাইট ক্লাবে যাব…তুমি কিছুই বলতে পারবে না। এগুলো আমার রুলস। কোন কমেন্ট?’

‘আমার এতে কোন আপত্তি নেই, কিন্তু মনে রাখবে, তুমি বাসায় থাক বা না থাক বাসায় প্রতি সন্ধ্যা সাতটায় আমার সেক্স চলবে…এটা আমার রুলস।’ বউয়ের জবাব।

স্ত্রী: এতক্ষণ ধরে ওই কাগজটিতে কী দেখছ তুমি?

স্বামী: কই, কিছু না তো!

স্ত্রী: আরে, এ যে দেখি ডাহা মিথ্যে কথা বলছ। তুমি প্রায় চার ঘণ্টা ধরে আমাদের কাবিননামা এত খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছটা কী, শুনি?

স্বামী: না, তেমন কিছু নয়। অনেকক্ষণ ধরে খুঁজেও কেন জানি কাবিননামার মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখটা বের করতে পারলাম না।

স্ত্রী: আচ্ছা, তুমি সব সময় অফিসে যাওয়ার সময় ব্যাগে করে আমার ছবি নিয়ে যাও কেন?

স্বামী: অফিসে যখন আমি কোনো সমস্যায় পড়ি, তখন তোমার ছবিটি বের করে দেখলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়, বুঝলে?

স্ত্রী: তাই নাকি! তাহলে দেখো, তোমার জন্য আমি কতটা সৌভাগ্যের!

স্বামী: হুম, আমার যখন সমস্যা আসে, তখন তোমার ছবি বের করে দেখি আর নিজেকে বলি, তোমার চেয়ে তো বড় কোনো সমস্যা পৃথিবীতে থাকতে পারে না। আর সঙ্গে সঙ্গে ছোট সমস্যাগুলো আর আমার কাছে সমস্যা বলে মনে হয় না।

মৃত্যুশয্যায় শায়িত স্বামী তার স্ত্রীকে বলছেন

স্বামী: আমি তো আর এক মাস পর মারা যাব, তাই আমি চাই, আমার মৃত্যুর পর তুমি সাজ্জাদ সাহেবকে বিয়ে কর।

স্ত্রী: সাজ্জাদ সাহেব! বলো কি, সে তো তোমার শত্রু। আর তাকে কিনা বিয়ে করতে বলছ তুমি!

স্বামী: আমি জানি সে আমার শত্রু। সাজ্জাদকে শায়েস্তা করার এটাই তো মোক্ষম সুযোগ, বুঝলে

নববিবাহিতা দম্পতির মাঝে কথা হচ্ছে।

স্ত্রী : যদি বলি আমার উপরের পাটির দাঁতগুলো বাঁধানো, তবে কি তুমি রাগ করবে?

স্বামী : মোটেই না, আমি তবে নিশ্চিন্তে আমার পরচুলা আর কাঠের পা-টা খুলে রাখতে পারব।

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ফোনে কথা হচ্ছে।

স্ত্রী: (ধমকের স্বরে) কোথায় তুমি?

স্বামী: প্রিয়তমা, তোমার কি সেই জুয়েলারির দোকানটার কথা মনে আছে, যে দোকানের একটা গয়নার সেট তুমি পছন্দ করেছিলে এবং বলছিলে, ‘ইশ্! যদি এটা কিনতে পারতাম?’

স্ত্রী: (গদগদ স্বরে) হ্যাঁ প্রিয়তম, মনে আছে!

স্বামী: আমি সেই জুয়েলারির দোকানের ঠিক পাশের দোকানে বসে চা খাচ্ছি।

স্ত্রী >এই আজতো আমাদের ১ম বিবাহ বর্ষিকী। আমাররা আজ কি করব?

স্বামী > একটু চুপ করো, আস আমরা দুই মিনিট দাড়িয়ে নিরবতা পালন করি।

স্ত্রীঃ তুমি আমাকে এখন একদম আদর কর না!

স্বামীঃ কি বলছ? একটু আগেই তো চা দিতে এলে, তখন তোমাকে আদর করলাম।

স্ত্রীঃ একটু আগে তো বুয়া চা দিয়ে গেছে!

এক ভদ্রমহিলা কেনাকাটা শেষে টাকা দেওয়ার সময় বিক্রেতা লক্ষ করলেন, ভদ্রমহিলার ব্যাগের ভেতরে একটা টিভি রিমোট কন্ট্রোল।

বিক্রেতা: কিছু মনে করবেন না, ম্যাডাম, আপনি কি সব সময় ব্যাগে রিমোট কন্ট্রোল রাখেন?

ভদ্রমহিলা: না। শুধু যেদিন আমার স্বামী আমার সঙ্গে মার্কেটে আসতে রাজি হয় না, সেদিন!

থাইল্যান্ডে হানিমুনে গেছে এক দম্পতি

স্বামী: আজ যদি আমার এত টাকা-পয়সা না থাকত, হয়তো আমরা এই বিলাসবহুল হোটেলে থাকতে পারতাম না।

স্ত্রী: হ্যাঁ। হয়তো আমাদের থাইল্যান্ডেও আসা হতো না। তার চেয়ে বড় কথা, এসব কথা বলার জন্য আমাকেও পাশে পেতে না!

স্বামী-স্ত্রীতে কথা হচ্ছে

স্বামী: ওগো শুনছো, সেই ১৯৭৯ সাল থেকে টাকা জমানো শুরু করার পর অবশেষে আজ স্বপ্নের গাড়িটা কেনার মতো টাকা আমার হয়েছে।

স্ত্রী: সত্যি?! কী গাড়ি? ২০১০ মডেলের টয়োটা?

স্বামী: না! একটা ১৯৭৯ মডেলের মিতসুবিশি!

স্বামী দেরি করে বাসায় ফিরলে জেরা শুরু করল স্ত্রী:

—কোথায় ছিলে এতক্ষণ?

—বন্ধুর বাসায়।

—কী করছিলে?

—দাবা খেলছিলাম।

—তাহলে তোমার শরীরে ভোদকার গন্ধ কেন?

—তবে কিসের গন্ধ থাকবে, দাবার?

ভীষণ সেজেগুজে স্বামীর সামনে গিয়ে দাঁড়াল স্ত্রী।

স্ত্রী: দেখো তো, আমাকে কেমন দেখাচ্ছে?

স্বামী: মোটামুটি কম খারাপ না!

স্বামী: ও গো শুনছ, একটু পর আমার একজন বন্ধু আসবে।

স্ত্রী: গাধা, বোকার হদ্দ কোথাকার, করেছ কী? দেখো না ঘরের কী অবস্থা? ভাঙা ফুলদানি, কাচের প্লেট, ঝাড়ু ঘরজুড়ে সব ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে।

স্বামী: এই জন্যই তো ওকে আসতে বলেছি। গর্দভটা বিয়ে করার কথা ভাবছে!

ক্রিকেটপাগল স্বামী প্রতি ছুটির দিনেই ক্রিকেট খেলতে মাঠে ছোটেন।

স্ত্রী: আমার মনে হয়, যে ছুটির দিনে তুমি বাসায় থাকবে, সেদিন আমি খুশিতে মারাই যাব।

স্বামী: আমাকে ঘুষ দেওয়ার লোভ দেখিয়ে লাভ হবে না!

প্রোগ্রামার স্বামী ল্যাপটপ নিয়ে কাজে মগ্ন। স্ত্রী এসে বলল, দাও না গো, একটু খেলি?

মনিটর থেকে চোখ না সরিয়ে উত্তর দিল প্রোগ্রামার, তুমি যখন রান্না করো, আমি কখনো হাঁড়ি চাই তোমার কাছে?

স্ত্রী বলছে স্বামীকে, ‘কাল মা আসবে বেড়াতে।’

নীরবতা।

—মাত্র দুই সপ্তার জন্য।

নীরবতা।

—তুমি শুনছ, কী বললাম?

নীরবতা।

—আমি ঠিকই জানতাম, তুমি রেগে যাবে।

দীর্ঘশ্বাস!

—খবরদার, উঁচুগলায় কথা বলবে না আমার সঙ্গে!

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা হচ্ছে

স্ত্রী: শোনো, তোমার বন্ধু যে মেয়েটিকে বিয়ে করতে যাচ্ছে ওই মেয়ে কিন্তু অতোটা ভালো নয়।

স্বামী: এতে আমার সমস্যাটা কী?

স্ত্রী: আরে, জেনেশুনে তোমার বন্ধু খারাপ মেয়েকে বিয়ে করবে! তুমি তাকে নিষেধ করছো না কেন?

স্বামী: আমি কেন তাকে নিষেধ করবো! আমি যখন বিয়ে করি তখন তো সে আমাকে নিষেধ করে নি।

স্ত্রী: কী ব্যাপার, আয়নার সামনে অতক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে কী দেখছ?

ভুলোমনা স্বামী: এই ভদ্রলোককে খুব চেনা চেনা ঠেকছে, কিন্তু কোথায় দেখেছি কিছুতেই মনে করতে পারছি না।

বিয়ের পরদিন সকালের নাশতায় রুটিতে কামড় দিয়ে স্বামী বলল, ‘একি! রুটিতে এটা কী লাগিয়েছ?’

নতুন বউ জবাব দেয়, ‘রুটি পুড়ে গেছিল তো, তাই মাখনের বদলে স্যাভলন ক্রিম মাখিয়ে দিলাম। ভালো হয়নি খেতে?’

স্ত্রী: এ্যাই, খেলার চ্যানেল পাল্টাও, আমি এখন রেসিপির অনুষ্ঠান দেখব।

স্বামী: রেসিপির অনুষ্ঠান দেখে কি লাভ, তুমি কোনো দিন ওসব রান্না করবে নাকি?

স্ত্রী: এই বুড়ো বয়সে তুমিই বা ক্রিকেট খেলা দেখ কোন আক্কেলে?

স্বামী তাঁর স্ত্রীকে তালাক দিতে আদালতে গেছেন–

স্বামী: আমি আমার স্ত্রীকে আজই তালাক দিতে চাই। আপনি একটু ব্যবস্থা করুন।

আইনজীবী: কেন, সমস্যা কী আপনাদের?

স্বামী: আমার স্ত্রী প্রায় ছয় মাস ধরে আমার সঙ্গে কথা বলে না।

আইনজীবী: আরেকবার ভেবে দেখুন। এমন স্ত্রী পাওয়া কিন্তু ভাগ্যের ব্যাপার।

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা হচ্ছে

স্ত্রী: আচ্ছা, যদি আমি মরে যাই তাহলে তুমি কী করবে?

স্বামী: আমি পাগল হয়ে যাব।

স্ত্রী: তুমি কি পরে আবার বিয়ে করবে?

স্বামী: পাগল তো সবকিছুই করতে পারে, তাই না?

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা নিয়ে কথা হচ্ছে

স্বামী: তোমাকে আমি অনেক ভালোবাসি।

স্ত্রী: তাই নাকি!

স্বামী: জানো, তোমার জন্য আমি পৃথিবীর শেষ সীমানা পর্যন্ত যেতে পারি।

স্ত্রী: হুমম, কিন্তু কথা দাও, আমার জন্য হলেও তুমি সেখানে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত থেকে যাবে।

বসে বসে পতিপ্রবরের মাছি মারা দেখে স্ত্রী তাকে জিজ্ঞেস করছে

স্ত্রী: কী করছ তুমি?

স্বামী: দেখছ না, মাছি মারছি।

স্ত্রী: তা কয়টা হলো?

স্বামী: তিনটা পুরুষ আর দুইটা স্ত্রী মাছি মারলাম।

স্ত্রী: কী করে পুরুষ-স্ত্রী বুঝলে?

স্বামী: কারণ, দুইটা মাছি ফোনের কাছে ঘুরঘুর করছিল, আর তিনটা মাছি দূর থেকে তা দেখছিল।

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথোপকথন

স্বামী: পাশের ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে একটু চিনি নিয়ে এসো তো?

স্ত্রী: ওরা আমাদের চিনি দেবে না।

স্বামী: ওরা তো খুব কঞ্জুস!

স্ত্রী: ওদের কিপ্টেমির কথা আর বোলো না।

স্বামী: তাহলে আর কী করা; আমাদের আলমারি থেকেই চিনি বের করে চা করে নিয়ে এসো যাও।

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথোপকথন

স্বামী: পাশের ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে একটু চিনি নিয়ে এসো তো?

স্ত্রী: ওরা আমাদের চিনি দেবে না।

স্বামী: ওরা তো খুব কঞ্জুস!

স্ত্রী: ওদের কিপ্টেমির কথা আর বোলো না।

স্বামী: তাহলে আর কী করা; আমাদের আলমারি থেকেই চিনি বের করে চা করে নিয়ে এসো যাও।

বিবাহবার্ষিকী নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা হচ্ছে

স্ত্রী: তোমার কি মনে আছে, কাল আমাদের ১৩তম বিবাহবার্ষিকী?

স্বামী: হুমম, তো কী হয়েছে?

স্ত্রী: এই দিনটি কী করে পালন করব বলো তো?

স্বামী: তুমি কী করবে জানি না, তবে আমি সকালে ঘুম থেকে উঠে দুই মিনিট নীরবতা পালন করব।

স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার পর স্বামী বাসা থেকে চলে গেছেন। তাঁদের মধ্যে মুঠোফোনে কথা হচ্ছে

স্বামী: আজ রাতের খাবার কী?

স্ত্রী: বিষ আছে বিষ!

স্বামী: ঠিক আছে, তুমি খেয়ে শুয়ে পড়ো। আমার ফিরতে আরও দেরি হবে।

স্ত্রী : ট্রেন তো রাত দশটায়। বিকেল পাঁচটায় আমাদের সবাইকে ষ্টেশনে আনার মানে কী?

স্বামী : ষ্টেশনে আগে না এলে কী কী জিনিস বাড়িতে ফেলে এসেছি, তা তো মনে পড়বে না।

ট্রেন ফেল করে স্টেশনে বসে আছে স্বামী-স্ত্রী।

স্বামী : আসার সময় তুমি যদি সাজগোজে এত দেরি না করতে, তা হলে এ ট্রেনটা মিস করতে হত না।

স্ত্রী : তুমিও যদি এ ট্রেনটা ধরবার জন্য এত তাড়াহুড়া না করে আসতে, তা হলে পরের ট্রেনের জন্য এতক্ষণ বসে থাকতে হত না।

স্বামীকে খাইয়ে নববধু সলজ্জ কন্ঠে জানতে চাইল, এভাবে পুরোটা বছর যদি রোজ রোজ তোমাকে নিজ হাতে রান্না করে খাওয়াই তা হলে বিনিময়ে আমি কী পাওয়ার আশা করতে পারি?গম্ভীর মুখে স্বামী বলল, আমার জীবন বীমার সব টাকা।

নববিবাহিতা দম্পতির মাঝে কথা হচ্ছে।

স্ত্রী : যদি বলি আমার উপরের পাটির দাঁতগুলো বাঁধানো, তবে কি তুমি রাগ করবে?

স্বামী : মোটেই না, আমি তবে নিশ্চিন্তে আমার পরচুলা আর কাঠের পা-টা খুলে রাখতে পারব।

স্ত্রী : ওগো, দেখ, বাইরে থেকে একটা জুতো এসে ঘরে পড়ল।

স্বামী : তুমি গান চালিয়ে যাও, তা হলে এর জোড়াটাও এসে পড়বে

নবদম্পতির মঝে ঝগড়া হয়েছে।

স্ত্রী : আমি বাপের বাড়ি চলে যাচ্ছি।

স্বামী : এই নাও ভাড়া।

স্ত্রী : কত দিচ্ছ? এতে তো ফেরার ভাড়া হবে না।

স্বামী : দেখ, তোমার ছেলে কী ভাবে কাঁদছে। সকাল থেকে বায়না ধরেছে গাধার পিঠে চড়ে ঘুরবে। গাধা আমি কোথায় পাব?

স্ত্রী : গাধার দরকার নেই। তোমার পিঠে চড়িয়ে ঘোরাও, দেখবে কান্না থেমে গেছে।

স্বামী: ওগো শুনছ, সর্বনাশ হয়ে গেল।

স্ত্রী: কী হয়েছে?

স্বামী: আজ মাইনে নিয়ে অফিস থেকে বাড়ি আসার পথে দুই ছোকরা পিস্তল দেখিয়ে বলল, হয় টাকা দাও না হলে জান দাও।

স্ত্রী: আর তুমিও বোকার মতো টাকাটাই দিয়ে এলে!

স্বামী: সম্মোহনবিদ্যা আবার কী গো?

শিক্ষিত স্ত্রী: সম্মোহনবিদ্যা জানলে দ্বিতীয় কোনো মানুষকে নিজের বশে রেখে তাকে দিয়ে ইচ্ছেমতো কাজ করানো যায়।

স্বামী: ওটা আবার সম্মোহনবিদ্যা নাকি? ওটা তো বিয়ে।

স্বামী: তোমার জ্বালায় আর ভালো লাগে না। চললাম আমি নদীতে ঝাঁপ দিতে।

স্ত্রী: কিন্তু তুমি তো সাঁতার জান না।

স্বামী: রাগের সময় এসব মনে করিয়ে দাও কেন? স্ত্রী: বিয়ের আগে তুমি আমাকে উপহার দিতে, এখন আর দাও না কেন?

স্বামী: মাছ ধরার পরে কি জেলেরা মাছকে আর খাওয়ায়?

স্ত্রী : ছিঃ ছিঃ তুমি আরেকজনের সঙ্গে প্রেম করছ ?

স্বামী : তুমিই না বললে বিয়ের পর প্রেম দ্বিগুণ করতে ।

এক স্ত্রী তার স্বামীকে অভিযোগ করল, ‘তুমি মোটেই আমার আত্মীয়স্বজনকে পছন্দ কর না।’

স্বামী শুনে বললেন, ‘কে বলল! আমি তো তোমার শাশুড়িকে, আমার শাশুড়ির থেকেও বেশি পছন্দ করি।’

স্ত্রী : বুঝি না তুমি কেন সিগারেট ছাড়া থাকতে পার না? এটা খেতে যদি আসলেই এত ভালো হত, তাহলে আমি কেন খাই না?

স্বামী : কারণ ওটা খেতে হলে মুখ বন্ধ করতে হয়।

স্বামী-স্ত্রীর কথা হচ্ছে-

: আচ্ছা এভাবে যদি জিনিসপত্রের দাম বাড়তে থাকে, তাহলে আমরা কী করব ?

: সবাই যখন কষ্ট করে জিনিসপত্র কিনবে আমরা আরাম করে বসে বসে দেখব।

স্বামীর শার্টে লাল দাগ দেখে সন্দেহপ্রবণ স্ত্রী জানতে চাইল-

: শার্টে এটা কিসের দাগ?

: টমেটো সসের

: তা তো বুঝলাম। কিন্তু টমেটোটা কে ?

স্ত্রী : নববর্ষ পালন করতে পার্টিতে যাচ্ছ যাও। ‘ছাইপাশ’ গিলে এলে মজা বুঝাব।

স্বামী : ফিরে এসে সেই ‘ছাইপাঁশই তো’ গিলতে হবে?

স্ত্রী : ওগো বাংলা চৌদ্দশ সাল উপলক্ষে চৌদ্দ পদ রান্না করলাম। কেমন হল?

স্বামী : মন্দ নয়, তবে চৌদ্দবার না আবার টয়লেটে দৌড়াতে হয়।

স্ত্রী : জান, তোমার উলের সোয়েটারটা বুনতে দুটো ভেড়া প্রয়োজন।

স্বামী : কেন তুমি একা বুনতে পার না?

ঘরে ঢুকতে গিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে স্বামীর গায়ে ধাক্কা লাগল-

স্ত্রী : উফ অন্ধ নাকি তুমি, দেখতে পাও না ?

স্বামী : অন্ধ না হলে কি আর তোমাকে বিয়ে করি।

স্ত্রী : বিয়ের আগে কি তোমার কোনো বান্ধবী ছিল?

স্বামী : না, তুমিই প্রথম।

স্ত্রী : কাল যে মেয়েটির সঙ্গে খুব হেসে কথা বলছিলে ওই মেয়েটি তা হলে কে ?

স্বামী : ওর সঙ্গে আমার পরিচয় হয়েছে বিয়ের পর।

স্ত্রী : যখন আমাদের বিয়ে হয়েছিল তখন তুমি প্রতিক্ষা করেছিলে ভালবাসার, শ্রদ্ধার এবং একতার। বল কর নি ?

স্বামী : হ্যাঁ করেছিলাম । আসলে আমি তখন এতগুলো লোকের সামনে তর্ক জুড়ে দিতে চাই না।

স্বামী : ধুত্তুর আমি এ সংসারে আগুন জ্বালিয়ে দিব

স্ত্রী : তার আগে এক লিটার কেরোসিন আনো চুলো জ্বালাব।

স্ত্রী : ওগো বল না আমাকে কখন তোমার সবচেয়ে সুন্দর লাগে?

স্বামী : যখন তুমি বাপের বাড়ি থাক।

স্বামী : তুমি এই বড় সুটকেস ভর্তি করে কাপড় না এনে বড় আলমারিটাই তো সঙ্গে করে নিয়ে আসতে পারতে।

স্ত্রী : ঠাট্রা করছ? ভারি তো কটা কাপড় সঙ্গে নিয়েছি তাতেই।

স্বামী : না, আসলে ট্রেনের টিকিট দুটো আলমারিতে ফেলে এসেছি।

স্বামী : তুমি এই বড় সুটকেস ভর্তি করে কাপড় না এনে বড় আলমারিটাই তো সঙ্গে করে নিয়ে আসতে পারতে।

স্ত্রী : ঠাট্রা করছ? ভারি তো কটা কাপড় সঙ্গে নিয়েছি তাতেই।

স্বামী : না, আসলে ট্রেনের টিকিট দুটো আলমারিতে ফেলে এসেছি।

স্বামী : বাড়িওয়ালা হঠাৎ আমাদের ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে।

স্ত্রী : হঠাৎ উইদাউট নোটিশে …

স্বামী : উনি বললেন ঘরটা নাকি কমারশিয়াল পারপাসে ইয়ুজ হচ্ছে।

পঁচাত্তর বছর বিবাহবার্ষিকী পালনের সময়।

স্ত্রী : তোমার মনে আছে বিয়ের প্রথম দিনে তুমি কী করেছিলে ?

স্বামী : গাল কামড়ে দিয়েছেলাম তোমার।

স্ত্রী : সেদিন কী আর ফিরে পাব ?

স্বামী : দাঁড়াও বাথরুম থেকে দাঁতটা নিয়ে আসি

স্ত্রী : তুমি ঘড়ির দোকানের মালিকের ছেলের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দেবে বলছ কেন?

স্বামী : যাতে বিয়ের সময় জামাইকে ঘড়ি দিতে না হয় তাই।

স্বামী : কাল রাতে স্বপ্ন দেখলাম আমি পৃথিবীর সেরা সুন্দরীকে বিয়ে করেছি।

স্ত্রী : সত্যি ?

স্বামী : এখন মনে হচ্ছে দুঃস্বপ্ন দেখেছি ।

স্ত্রী : আমি মরে গেলে তুমি সঙ্গে সঙ্গে আবার বিয়ে করবে না গো ।

স্বামী : মাথা খারাপ। আগে ক’টা দিন জিরিয়ে নেব।

স্ত্রী : শোনো আমার বান্ধবীরা আসছে আশা করি অন্তত চা-টা ওদের সামনে মার্জিতভাবে খাবে, পিরিচে ঢেলে খাবে না।

স্বামী : তুমি পাগল না উন্মাদ? কাপে যে খাব চামচের গুতোয় চোখটা যাবে না আমার ?

 

স্বামী : পার্টিতে ঐ ইংরেজটা ওইভাবে তোমাকে চুমু খেল, তুমি বাধা দিলে না কেন?
স্ত্রী : আরে আমি তো কত বারণ করলাম। কিন্তু ও তো আমার ভাষাই বোঝে না।

স্বামী সিনেমা ম্যাগাজিনে নায়িকাদের ছবি দেখছিল-

স্ত্রী : আমি ওদের থেকেও সুন্দরী নই?

স্বামী : অবশ্যই ।

স্ত্রী : সত্যি তুমি অসম্ভব সৎ আর…

স্বামী : আর ভীতু।

স্বামী-স্ত্রীর ছোট সংসারে হঠাৎ করে অতিথি এসে হাজির। যাবার নাম নেই। তখন স্বামী-স্ত্রী যুক্তি করল তারা ঝগড়ার অভিনয় করবে। তাই শুরু হল-হুলস্থুল কান্ড। এই দেখে অতিথি বাক্মপেঁটরা গুছিয়ে পালাল।

স্বামী : হাঃ হাঃ কাজ হয়েছে- এই তোমার লাগে নি তো মিথ্যে মারছিলাম ।

স্ত্রী : না আমিও মিথ্যে মিথ্যে কাঁদছিলাম। এ সময় দরজা দিয়ে অতিথিকে ফের বাক্সপেঁটার নিয়ে ঢুকতে দেখা গেল।

স্বামী-স্ত্রী : আপনি ?

অতিথি : আরে আমিও কি সত্যি সত্যি চলে গিয়েছিলাম, মিথ্যে মিথ্যে অভিনয় করলাম তোমাদের মতো হাঃ হাঃ।

স্বামী : সত্যি কথা বলতে কি জান, প্রকৃত মুর্খরাই সুন্দরী মেয়েদের বিয়ে করে।

স্ত্রী : যাক এ্যাদ্দিনে এই প্রথম তুমি আমার রূপের প্রশংসা করলে।

স্ত্রী : ওগো আমি মারা গেলে তুমি কাঁদবে না ?

স্বামী : অবশ্যই।

স্ত্রী : আমার বিশ্বাস হয় না।

স্বামী : বেশ পরীক্ষা হয়ে যাক।

স্বামী : তোমার এখনো রান্না হয় নি ? আমি চললাম, বাইরে খেয়ে নেব।

স্ত্রী : একটু দাঁড়াও, উনুনে জল ঢেলে দিয়ে আসি। আমিও তোমার সঙ্গে যাব

স্ত্রী : ও গো, এটা তো আমাদের বাচ্চা না! কারটা নেয়ে এলে ?

স্বামী : শ্‌-শ্‌, চুপ ! আমাদেরটা কালো কুচকুচে ছিল, তাই আসবার সময় পাল্টে এনেছি।

স্ত্রী: এতক্ষণ ধরে ওই কাগজটিতে কী দেখছ তুমি?

স্বামী: কই, কিছু না তো!

স্ত্রী: আরে, এ যে দেখি ডাহা মিথ্যে কথা বলছ। তুমি প্রায় চার ঘণ্টা ধরে আমাদের কাবিননামা এত খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছটা কী, শুনি?

স্বামী: না, তেমন কিছু নয়। অনেকক্ষণ ধরে খুঁজেও কেন জানি কাবিননামার মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখটা বের করতে পারলাম না।

স্ত্রী: আচ্ছা, তুমি সব সময় অফিসে যাওয়ার সময় ব্যাগে করে আমার ছবি নিয়ে যাও কেন?

স্বামী: অফিসে যখন আমি কোনো সমস্যায় পড়ি, তখন তোমার ছবিটি বের করে দেখলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়, বুঝলে?

স্ত্রী: তাই নাকি! তাহলে দেখো, তোমার জন্য আমি কতটা সৌভাগ্যের!

স্বামী: হুম, আমার যখন সমস্যা আসে, তখন তোমার ছবি বের করে দেখি আর নিজেকে বলি, তোমার চেয়ে তো বড় কোনো সমস্যা পৃথিবীতে থাকতে পারে না। আর সঙ্গে সঙ্গে ছোট সমস্যাগুলো আর আমার কাছে সমস্যা বলে মনে হয় না।

মৃত্যুশয্যায় শায়িত স্বামী তার স্ত্রীকে বলছেন

স্বামী: আমি তো আর এক মাস পর মারা যাব, তাই আমি চাই, আমার মৃত্যুর পর তুমি সাজ্জাদ সাহেবকে বিয়ে কর।

স্ত্রী: সাজ্জাদ সাহেব! বলো কি, সে তো তোমার শত্রু। আর তাকে কিনা বিয়ে করতে বলছ তুমি!

স্বামী: আমি জানি সে আমার শত্রু। সাজ্জাদকে শায়েস্তা করার এটাই তো মোক্ষম সুযোগ, বুঝলে?

স্বামী হারিয়ে যাওয়ায় স্ত্রী এক প্রতিবেশীকে সঙ্গে নিয়ে থানায় গেছেন পুলিশকে বিষয়টি জানাতে। পুলিশ তাঁর স্বামীর বর্ণনা জানতে চাইলেন। স্ত্রী বললেন, ‘আমার স্বামীর বয়স ৩৫ বছর, লম্বায় ছয় ফুট চার ইঞ্চি, ঘন কালো চুল, অ্যাথলেটিক শরীর এবং তিনি বাচ্চাদের খুব পছন্দ করেন।’ এ কথা শেষ হওয়ামাত্র ওই প্রতিবেশী বললেন, ‘আরে, তুমি এসব কী বলছ? তোমার স্বামী তো লম্বায় পাঁচ ফুট চার ইঞ্চি, মাথায় টাক আছে আর একদম পাতলা শরীর। কিন্তু তুমি এ কাকে খুঁজতে এসেছ?’ স্ত্রী বললেন, ‘হুম, তা তো আমি জানি। কিন্তু তাকে আর ফিরে পেতে কে চায়?’

আজই একটা পত্রিকায় কী পড়লাম জানো?

—কী?

—বিজ্ঞানীরা বলেছেন, বেশির ভাগ মানুষ দিনে গড়ে ১০ হাজার শব্দ বলে।

—লক্ষ্মীটি, তাতে তোমার লজ্জা পাওয়ার কিছু নেই। তুমি মোটেও সেই গড়পড়তাদের আওতায় পড় না। তুমি তাদের অনেক ওপরে।

এক ভদ্রলোক তাঁর স্ত্রীকে জোরে একটা চড় মেরে বললেন, ‘যাকে মানুষ ভালোবাসে তাকেই মারে।’ তাঁর স্ত্রী তাঁর গালে দ্বিগুণ জোরে এক চড় মেরে বললেন, ‘তুমি কি ভাব, আমি তোমাকে ভালোবাসি না?’

স্বামী স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করল, বিয়ের আগে তুমি কি কারও সঙ্গে প্রেম করেছ? স্ত্রী বলল, হ্যাঁ। স্বামী রেগে বলল, তাহলে ওই হতচ্ছাড়ার নাম বলো। এক্ষুনি গিয়ে দাঁত ভেঙে দিয়ে আসি। স্ত্রী বলল, ওগো, তুমি একা কি তাদের সবার সঙ্গে পারবে?

স্ত্রীঃ তুমি আজ এত তাড়াতাড়ি বাসায় এলে যে!

স্বামীঃ বস্‌ আজ রেগে গিয়ে বললেন, তোমার এক্ষুনি নরকে যাওয়া উচিত।

স্ত্রী: কোনো কথা বললে তোমার কানে পৌঁছাতে এত সময় লাগে কেন?

স্বামী: কানের মধ্যে যানজট তো তাই সিগন্যাল না ওঠা পর্যন্ত শুনতে পাই না।

স্ত্রী: কী বললে তুমি, উত্তরার বাড়িটা আমার নামে লিখে দেবে না? ঠিক আছে, আমি চললাম বাপের বাড়ি।

স্বামী: দাঁড়াও, আমি উকিল ডাকছি।

স্ত্রী: বাড়িটা লিখে দেওয়ার ব্যাপারে?

স্বামী: না, ডিভোর্সের ব্যাপারে।

স্ত্রীঃ আচ্ছা, তুমি অন্য জন্মে কোন প্রাণী হয়ে জন্মাতে চাও?

স্বামীঃ কুত্তা।

স্ত্রীঃ তার মানে তুমি জীবনটাকে একেবারেই বদলাতে চাও না!

ডলি, ডলি বলে চিৎকার করতে করতে স্বামীর ঘুম ভেঙে গেল।

স্ত্রী উঠে বললঃ কী ব্যাপার, স্বপ্নে ডলি ডলি করছিলে কেন?

স্বামীঃ রেসের সময় আমি ডলি-ঘোড়ার উপর বাজি ধরেছিলাম। বাজিতে জিতেছি। এই নাও ৫০০ টাকা।

কয়েকদিন পর স্ত্রী স্বামীকে বলল, এই শোন, আজ তোমার সেই রেসের ঘোড়া ডলি ফোন করেছিল।

স্বামী: ওগো, কাল রাতে তুমি যে বললে, আমার পাঞ্জাবিটা ছিঁড়ে যাওয়ায় ঈদে একটা নতুন পাঞ্জাবি কিনে দেবে−কথাটা আমার স্বপ্নের মতো মনে হয়েছে।

স্ত্রী: তুমি স্বপ্নই দেখেছ। তোমার পাঞ্জাবি আমি সেলাই …

স্ত্রী: প্রতিজ্ঞা করো, আমি মরে যাওয়ার পর কাউকে ভালোবাসবে না।

স্বামী: সে প্রতিজ্ঞা করলাম। কিন্তু তুমি বেঁচে থাকা অবস্থায় এই প্রতিজ্ঞা রক্ষা করার তো দরকার নেই?

নতুন গাড়ির দোকানে ঢুকেছে স্বামী-স্ত্রী। ঘুরে ঘুরে গাড়ি দেখছে।

রোমান্টিক কন্ঠে স্ত্রী বলছে স্বামীকে: আমাকে কি এমন কিছু উপহার দেবে, যেটায় পা দিয়ে একটু চাপ দিলেই তিন সেকেন্ডের মধ্যে কাঁটা উঠে যাবে শূন্য থেকে এক শতে? স্বামী কিছু বলল না। কথাটা মনে রাখল।

পরদিন স্বামী কিনে নিয়ে এল একটি ওজন মাপার যন্ত্র। বলল: তুমি তো এটাই চাইছিলে! উঠে দাঁড়ালেই এক সেকেন্ডে কাঁটা উঠে যাবে এক শতে।

স্ত্রীঃ কালতো আমাদের বিয়ে-বার্ষিকী!

স্বামীঃ আমাকে কি করতে হবে?

–কিছু না, এই গোটা পঁচিশেক মুরগির রোস্টের ব্যবস্থা করলেই হবে।

–পঁচিশ বছর আগের ভুলের জন্য আবার পঁচিশটা প্রাণী হত্যা করা কি ঠিক হবে?

স্বামী: আজ মাছ রান্না হয়নি কেন?

স্ত্রী: মাছটাকে মারতেই পারলাম না।

স্বামী: কী ভাবে মারার চেষ্টা করছিলি?

স্ত্রী: জলে ডুবিয়ে!

স্বামী : তোমার এক মাসে এতো লিপস্টিক লাগে আমি ভাবতে পারি না, আর কারো এতো লাগে কিনা?

স্ত্রী : আরে লিপস্টিকের অর্ধেকতো তোমার পেটেই যায়।

স্ত্রী- ওগো আমার কিছু ভালো লাগছেনা ।

স্বামী- কেন?

স্ত্রী- আমার অসুখ যে সারছে না

স্বামী- সারবে না কেন ? ভাল হয়ে গেলেই তো সেরে যাবে।

স্বামীর অনুপস্থিতিতে স্ত্রী তার পুরানো প্রেমিকের সাথে বসে গল্প করছিল। এমন সময় হঠাত স্বামী এসে পড়লে প্রেমিক আলমারির পিছনে লুকিয়ে গেল। ঘরের মেঝেতে চুরুট পড়ে থাকতে দেখে স্বামী রেগে গেল। বলে উঠল, এই চুরুট কোথা থেকে এসেছে? স্ত্রী কিছু বলতে পারল না দেখে স্বামী আরো রেগে গেল। স্বামী বলল তোমাকে বলতেই হবে এই চুরুট কোথাকার? প্রেমিক বন্ধুটি সহ্য করতে না পেরে আলমারির পিছন থেকে বের হয়ে বলল, ও তো মেয়ে মানুষ, ও কি করে জানবে এই চুরুট কোথাকার? আপনি পুরুষ মানুষ হয়ে ও চিনতে পারছেন না যে এই চুরুট আমেরিকার?

স্বামীঃ আমার পানিটা গরম করে দাও। না হলে

স্ত্রীঃ না হলে, না হলে কী ? কী করবে ।

স্বামীঃ ঠান্ডা পানিতে গোসলটা সেরে নেবো ।

বাসর রাতে স্বামী তার স্ত্রীর কথোপকথোন:

স্বামী : এই, বিয়ের আগে তোমার কয়টা বয়ফ্রেন্ড ছিল??

স্ত্রী কোন কথা না বলে সেখান থেকে উঠেগিয়ে একটা খাম নিয়ে এসে স্বামীর হাতে ধরিয়ে দিল । খামের মধ্যে ছিল কিছু চালআর ২০০ টাকা ।

স্বামী : এইটা কি ??

স্ত্রী : না মানে, আমি যখন কারো প্রেমেপড়তাম তখন ১টা করে চাল এই খামে ঢুকিয়েরাখতাম ।

স্বামী খাম খুলে চাল গোনা শুরু করল ১,২,….. ৭টা ।

স্বামী : ও তার মানে ৭টা বয়ফ্রেন্ড ছিল?? আজকালকার যুগে এইটা কোন ব্যাপারই না ।।

আচ্ছা আর এই ২০০ টাকা কিসের??

স্ত্রী : না মানে, গতকালকে ৪কেজি চাল বিক্রি করছি ।

এক স্বামীর তার স্ত্রীকে পেটানোর ইচ্ছা হয়েছে, কিন্তু স্ত্রীর কোন দোষ পাচ্ছে না। সে অনেক ভেবেও স্ত্রীকে মারার কোন ছুতো খুঁজে পায় না। হঠাৎ স্বামী দেখলো বাড়ির উঠানে একটি কুকুর শুয়ে আছে। এটা দেখে আর দেরি না করে দ্রুত ঘরে ঢুকে স্ত্রীকে পেটাতে থাকে।

স্ত্রীঃ (কাঁদো কণ্ঠে) আমারে মারতাছ ক্যান? আমি কি করছি?

স্বামীঃ বাইরে এতক্ষণ ধইরা রোদের মধ্যে একটা কুত্তা শুইয়া রইছে, তুই বালিশ দেস নাই ক্যান?

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ফোনে কথা হচ্ছে।

স্ত্রী: (ধমকের স্বরে) কোথায় তুমি?

স্বামী: প্রিয়তমা, তোমার কি সেই জুয়েলারির দোকানটার কথা মনে আছে, যে দোকানের একটা গয়নার সেট তুমি পছন্দ করেছিলে এবং বলছিলে,

‘ ইশ্! যদি এটা কিনতে পারতাম? ’

স্ত্রী: (গদগদ স্বরে) হ্যাঁ প্রিয়তম, মনে আছে!

স্বামী: আমি সেই জুয়েলারির দোকানের ঠিক পাশের দোকানে বসে চা খাচ্ছি।

স্ত্রী: কখনো ভেবে দেখেছ, আমি একদিন মরে যাব।

স্বামী: না না! তুমি মরে গেলে আমিও যে মারা যাব!

স্ত্রী: কিন্তু কেন?

স্বামী: কারণ এত আনন্দ আমি সহ্য করতে পারব না!

স্বামী তাঁর স্ত্রীকে তালাক দিতে আদালতে গেছেন—

স্বামী: আমি আমার স্ত্রীকে আজই তালাক দিতে চাই। আপনি একটু ব্যবস্থা করুন।

আইনজীবী: কেন, সমস্যা কী আপনাদের?

স্বামী: আমার স্ত্রী প্রায় ছয় মাস ধরে আমার সঙ্গে কথা বলে না।

আইনজীবী: আরেকবার ভেবে দেখুন। এমন স্ত্রী পাওয়া কিন্তু ভাগ্যের ব্যাপার।

এটিও পড়ুন –

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *