2021 লাভ লেটার, প্রেম চিঠি, ভালোবাসার চিঠি

লাভ লেটার

আপনি ঘদি ভালো কিছু লাভ লেটার খুঁজছেন তাহলে আমাদের কাছে লাভ লেটার ও প্রেম চিঠি, ভালোবাসার চিঠি দেওয়া আছে আমাদের অনেক ভালো লেগেছে তাই আপনাদের সাথে লাভ লেটার বার্তা শেয়ার করছি ভালো লাগবে আপনাদেরও যদি ভালো লেগে থাকে আপনার প্রিয়জন কে অবশ্য পড়াবেন আর কি হলে তা কমেন্ট করে জানাবেন।

লাভ লেটার

প্রিয় সকাল,
শুভ্র ভোরের মিষ্টি আবেশ গায়ে মেখে খোলা বারান্দায় বসেছি তোমাকে চিঠি লিখতে। এই সময়ে মনের ভাব বিনিময়ের প্রধান আকর্ষণ মুঠোফোন আর কি-বোর্ডের বাটনগুলোকে ছুটি দিয়ে কাগজ-কলমের শরণাপন্ন হলাম। আমি আছি বারান্দায়/ বসে একা নিরালায়/ পথ চেয়ে তোমার অপেক্ষায়/ পাখিগুলো নেচে নেচে/ আমায় যেন ডেকে যায়।

আজকের সকালটি আমার জীবনে অন্য রকম এক ভালোবাসার উচ্ছ্বাসে ভরা। ব্যালকনিতে রাখা নয়নতারার পাপড়িতে চুপটি করে বসে থাকা শিশিরে সিক্ত সকাল তুমি। হালকা ঝিরঝির বাতাস যখন বাসরলতাগুলোকে কাঁপিয়ে দিয়ে যায় তখন আমার খুব ইচ্ছে করে ওই বাতাসে তোমার অবাধ্য চুলের উড়াউড়ি দেখতে। তুমি কি জানো, যখন তোমার চুলগুলো এলোমেলো হয়ে যায় তখন তোমাকে দেখতে প্রবীণ বটবৃক্ষের মতো লাগে। দুটো শালিক উড়ে এসে আমার খোলা বারান্দায় বসল। বুঝলাম, দুটি মনের মিল ছিল বলেই আজ আমাদের দু’জনার দু’টি মনের উঠোন এক হয়ে গেছে। সকালের প্রথম রোদে নিজেকে রাঙিয়ে নিলাম শুদ্ধ ভালোবাসার আলোয়। ঠিক এই মুহূর্তে আমি যেন আমার ভেতর কেমন পরিবর্তন দেখতে পাই। ইচ্ছে করে চিৎকার করে সমস্ত পৃথিবীকে জানিয়ে দেই- আমি সকালকে ভালবাসি। কাউকে ভালোবাসলে তার উপর অধিকারবোধ এমনিতেই জন্মে যায়। সেই অধিকার-বলে দাবি করতে পারি- সকাল, তুমি শুধু আমার। শুধুই আমার। একটা সময় ভাবতাম ভালোবাসা বুঝি দেখে-শুনে, বেছে, খুঁজে, মিলিয়ে তারপর হয়। কিন্তু না, ভালোবাসা হয় আচমকা, নীরবে, নিভৃতে, নিঃশব্দে। ভালোবাসার জন্ম হয় ভালোলাগা বা মুগ্ধতার ওপর ভিত্তি করে। যতক্ষণ ভালোবাসা প্রকাশ না পাবে ততক্ষণ তা মনকে পোড়াতেই থাকবে।

পোড়াতে পোড়াতে চৌচির চিতা নদী
চন্দনবনে অগ্নির মতো জ্বলে,
ভূকম্পনের শিখরে তোমার মুখ
হঠাৎ স্মৃতির পরশনে গেছে গলে।
(নির্মলেন্দু গুণ)

দু’টি মনের টান, অব্যক্ত কথামালা, একটু দেখার আকুলতা, পাশাপাশি থাকার ব্যাকুলতা, স্নিগ্ধ ভালোলাগা, স্বপ্ন ছুঁয়ে যাওয়ার নামই যে ভালোবাসা, তা আজ আমার অবুঝ হৃদয় গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পেরেছে। একটু একটু করে নরম রোদ ছড়িয়ে পড়েছে নীল আকাশে। একইভাবে তোমার ভালোবাসা আমার নিউরনের প্রতিটি কণায় ছড়িয়ে দিচ্ছে ভালোলাগার বার্তা। স্মৃতির অতলে ডুব দিয়ে পেলাম একটি লাল গোলাপ। কোনো এক ছুটির দিনে ভালোবাসা-মাখা সেই গোলাপটিই ছিল তোমার কাছ থেকে আমার প্রথম প্রাপ্তি। তখন নিজের অজান্তেই মন আবৃত্তি করে উঠেছিল প্রিয় কবিতার চরণ-

এর আগে তুমি কোথাও ছিলে না
ছিলে না আকাশে, নদী জলে ঘাসে
ছিলে না পাথরে ঝর্ণার পাশে।
এবারই প্রথম তুমি।

স্মৃতির অ্যালবামে রাখা ছুটির দিনে প্রথম গোলাপ পাওয়ার মুহূর্তটি আবার আমাকে স্মরণ করিয়ে দেয় সকাল শিশিরকে ভালোবাসে, শিশিরও সকালকে ভালোবাসে। তাই তো শিশির মধ্যরাতের পর থেকে ভোর হওয়া অবধি অপেক্ষা করতে থাকে সকালের দেখা পাবে বলে। সবুজ ঘাসের বুকে শিশিরের সাথে আলাপ করতে সকাল যে আসবেই।
সেদিনের কথা খুব মনে পড়ছে এখন। শেষ বিকেলের ট্রেনে যখন বাড়ি ফিরব; সেই বিদায় বেলায় আমার কেন যেন চোখ ফেটে কান্না আসছিল তখন তুমি কাছে এসে আমার হাতটি ধরে বললে-

তুমি অমন ক’রে গো বারে বারে জল-ছলছল চোখে চেয়ো না,
জল-ছল-ছল চোখে চেয়ো না।
ঐ কাতর কণ্ঠে থেকে থেকে শুধু বিদায়ের গান গেয়ো না,
শুধু বিদায়ের গান গেয়ো না।
(কাজী নজরুল ইসলাম)

বাড়ি ফিরলাম বিরহ-ভরা অনুভূতিতে, মন ছিল শান্ত, স্থির। তোমার বলা কবিতাটা বারবার মনকে আন্দোলিত করছিল। নানা স্মৃতি নানা রঙে নানা সুরে গান গেয়ে জানান দেয় তোমার কথা। তাই তো সবুজাভ খামে ভরে ভালোবাসার আমন্ত্রণে প্রেমের রঙিন চিঠি দিলাম আমার সকালের ঠিকানায়।

প্রেম চিঠি

সবশেষে রইল বাকি একটি কথা-
আমি কেবল আমি কেবল
আমি কেবল দেখি,
ভালোবাসার দেয়াল জুড়ে
একটি প্রজাপতি।
-তোমার শিশির কণা।

ছড়া কিংবা কবিতা,
কখনো পড়তে ভাল লাগে
রূপকথার গল্প কথিকা।
উদাস দুপুরে শুনি কভু
প্রিয় শিল্পীর গান,
মনের অজানে দিয়ে উঠি
দুই একটি টান।
ছাদে উঠে মাঝে মাঝে
রাতের বেলায় হাঁটি,
চুপিসারে নিজের সাথে
নিজেই কথা বলি!
একাকী কথা বলি দেখে
লোকে পাগল ভাবে,
যার জা ইচ্ছা ভাবুক,
আমার কি যায় আসে!
মাঝে মাঝে ঘোর বৃষ্টিতে
ভিজতে ভাল লাগে,
জ্যোৎস্না রাতে চাঁদ দেখতে
ভীষণ লাগে ভাল।
ছুটির দিনে সকাল বেলা
দেরী করেই উঠি,
সবার সুখে সুখী হই,
সবার দুখে দুখী।
বিপদে আপদে আমি কভু
হারাইনা মনোবল,
কষ্ট ব্যথা হোক না কেন
যতই কঠিন প্রবল।
একে একে অনেকেই তো
ছেড়ে গিয়েছে দূরে,
ওদের কথা সর্বদাই যে
খুব মনে পড়ে।

ভালোবাসার চিঠি

চিঠিটির কথা আমার মনেই ছিলনা । পুরনো কাগজ পত্র ঘাটতে গিয়ে ধুলোর আস্তরনে ঢেকে যাওয়া কাগজটি চোখে পড়ল । কৌতুহল নিয়ে কাগজটি খুলে দেখলাম । দেখে অবাক হলাম । সে কতদিন আগের কথা । এইচএসসিতে তখন আমার তুমল প্রেম চলছে । পড়ালেখা সব আলমারির উপর তুলে রেখেছিলাম । পড়ালেখা না করে ডেটিং… আহা ! ভাবতেই মজা । কি যে মধুর ছিল সেই দিনগুলো । যার সাথে আমার হ্দয়ের লেনদেন তার ঘনিষ্ঠ বান্ধবীই আমাকে চিঠিটি লিখেছিল ।

উদ্দেশ্য ছিল আমার সাথে মজা করা । স্মৃতিতে কখনোই ধুলো পড়েনা । মস্তিষ্কের প্রতিটি নিউরণে সে আছে ছিল এবং থাকবে । আজ এতো বছর সেই চিঠিটি পেয়ে পেছনের অনেক কথাই মনে পড়ে গেল । সেই চিঠি পড়ে আজ আবারো আমি মুগ্ধ । ওর সেই চিঠির উপমা আর চমৎকার সব শব্দ চয়নে চিঠিটি সত্যিই আমার কাছে অনন্য । আপনাদের জন্য চিঠিটি হুবহু তুলে দেওয়া হলো । পড়ে দেখুন…. জাহেদ, পত্রের প্রথমে নববর্ষের নতুন দিনের শুভেচ্ছা রইল । আশা করি ভালো আছো ।
আমি কিন্তু ভাল নেই ।
আমি না তোমাকে খুব ভালোবাসি ।

কিন্তু তুমি ভালোবাসো …… কে ( নামটা প্রকাশ করলাম না )। আচ্ছা আমি তোমাকে কিভাবে ভালোবাসব ? আকাশের মত উদার নাকি সমুদ্রের মতো বিশাল ! আমি মনে করি আমি তোমাকে আকাশ ও সমুদ্র দুটির মতই ভালোবাসব । আচ্ছা তুমি আমাকে কিভাবে ভালোবাসবে ? পুর্ণিমার চাঁদের আলোর মতো নাকি অমাবশ্যার রাতের অন্ধকারের মতো ? পূর্ণিমার চাঁদের মতো যদি হয় তাহলে আমাদের প্রেমটা হবে উজ্জল আর সৌন্দর্যে ভরা । যার কোন শেষ নেই ।

আর যদি অমাবশ্যার চাঁদের মতো হয় তাহলে আমাদের প্রেম কারো নজরে পড়বেনা । আমি মনে করি পূর্ণিমার চাঁদের মতো ভালোবাসো । পরীক্ষার প্রস্তুতি যেন ভালো হয় । ———————————————————— তোমার প্রিয়া ।

চিঠিটি পাবার পর আমরা অনেক দিন এটা নিয়ে খুব মজা করেছিলাম । হাসি ঠাট্টা করতাম । মাঝে মাঝে আমার ইয়েকে এই বিষয়ে রাগাতাম । সে বলত – যাও ওর কাছে । আমার কাছে কি ? এখনতো আমাকে তোমার দরকার নেই ।

তারপর দুজনেই একসাথে হেসে ফেলতাম । সত্যিই কলেজে উঠার পর জীবনটা ছিল বড় স্বপ্নময় । বাস্তবতার চেয়ে কল্পনার জগতের প্রাধান্য আর আবেগের প্রকাশই ছিলো অন্যতম । সময়ের সাথে সাথে সেই স্বপ্ন , সেই রঙীন দিন আর কল্পনার ফানুস গুলো আজ আর অবশিষ্ঠ নেই । জীবনটা বড্ড কঠিন । ইশ ! আবার যদি সেই দিনগুলো ফিরে পেতাম । গানের কথাগুলোকে একটু অন্যভাবে—- অমরত্বের প্রত্যাশা নেই, নেই কোন দাবী দাওয়া, অবুঝ প্রেমময় সেই দিনগুলোতে ফিরে যাওয়া ।

কষ্টের লাভ লেটার

প্রিয়……

কেমন আছো।।ভালো থাকো সব সময় এই কামনা করি।চিঠি লেখতেছি আজ একটা বিশেষ দিন তোমার জন্মদিন।।শুভেচ্ছা নিও আমার। আজ হৃদয়ের ভিতর থেকে দীর্ঘ শ্বাস আমাকে দাক্কা দিচ্ছে কেনো জানো এমন দিনে তোমার পাশে আমি থাকতে পারিনি বলে।।

নিশিথের জ্যোৎস্না আমাকে অনেক কাছে ডেকেছে আমি যাই নি আমি যে মনে মনে ভেবে রেখেছি তোমার হাত দরেই ঐ জ্যোৎস্না দুই জনের খায়ে মাখবো।তুমি নেই আমি কি করে ঐ জ্যোৎস্নার নিমন্ত্রণ গ্রহণ করি বল।।তুমি যে দিন আমার কাছে আসবে আমি সেদিনি নিমন্ত্রণ ছাড়াই জ্যোৎস্নার বাড়ি যাবো।।ঐ মেঘ বালিকা আমায় কত বার কত রকুম করে তার বারি তে ভিজতে বলেছে।।

আমি যে তোমাকে নিয়ে ঐ মেঘ বালিকার আনন্দ অশ্রুতে ভিজবো।এখন শুধু একাকীত্ব কে আপন করে ওদের দেখি বাতায়ন খুলে।

সারা দিবা নিশি কাটিয়ে দি তোমার কথা ভেবে।তুমি আসবে তুমি আসবে কবে?আমার কাননের ফুল গুলো বৃষ্টির জলে স্নান করে রবির রৌদ্র অঙ্গে মেখে অভিমানে মাটিতে পড়ছে ঝরে।আমি ওদের আমার হাতে নেয়নি বলে। অভিমান করারি কথা সেই ছোট থেকে অনেক আদরে আমি তাদের বড় করেছি।।

তুবো তারা কেনো আমার মনের কথা বুঝে না।

একমাত্র তুমি আমার হৃদয়ের কথা বুঝ।আমার না পাওয়াকে খুঁজো তুমি ছাড়াযে আমার হাতে ফুল শোভা পায় না। ওরা ঝরে পড়ুক মাটিতে আমি ওদের সেদিনি আমার হাতে নিব যে দিন তুমি আমার পাশে রোইবে।তুমি আসবে কবে? আমি জানি তুমিও আমাকে ভাব কিন্তু দেখ দুই জনের মধ্যে খানে সামর্থ্য নামের দেয়াল দাড়িয়ে আছে।।আমি আশা করি তুমি এই দেয়ালটা ভাঙবে। সে দিন টা আর বেশি দূরে নয়।।

চিঠিটা লেখতে লেখতে আমার নয়নে লোনা জলের আগমন লোনা জল হয়তো জানে আজ আমার প্রিয়োর জন্মদিন।।।জান ভালো থেকো অনেক কথা বলার ছিল বললাম না।।। পরে বলব।।।জান তোমার জন্মদিনের না থাকতে পারার বিষাদ মাখা কণ্ঠ স্বর দিয়ে আবার বলি শুভ জন্মদিন জান। ইতি—– তোমার প্রাণ প্রিয়া


তো তোমাদের কেমন লাগলো এই লাভ লেটার নিশ্চয়ই তোমাদের ভালো লাগবে যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ফেসবুকে আর হোয়াটসঅ্যাপে শেয়ার করতে পারেন আর অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন যে তোমাদের কেমন লাগলো |তোমাদের মনে পছন্দের কবিতার দেওয়া আছে | যেটা তোমার পছন্দের shayari লিঙ্কটাতে ক্লিক করুন |

আরো পড়ুন:-

Similar Posts